মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৪

আওয়ামীলীগ এর সন্ত্রাসী কার্যক্রম

আজ ২৮ অক্টোবর
বাংলাদেশেরইতিহাসে এক ভয়ংকর
দিন। ২০০৬সালের
এইতারিখে আওয়ামী গুন্ডারা এইদেশে ইতিহাসের
এক নিকৃষ্ঠতম বর্বরহামলা চালিয়েছিল।
এদিনরাজধানী ঢাকায়
আওয়ামীলীগসহমহাজোট নেতা-
কর্মীরা লগি-
বৈঠা এবং আগ্নেয়াস্ত্রদিয়ে প্রকাশ্য
দিবলোকে ৭জনকে হত্যা করে। শুধু খুন
করেইতারা কান্ত হয়নি, সেই লাশের
উপরতারা নৃত্য এবং আনন্দ
উল্লাসকরেছিল। ঐ দিন
তারা সারা দেশে ১৭জনকে খুন
করেছিল। সেই ভয়াবহ
দৃশ্যগুলো বিভিন্নটিভি চ্যানেলে দেখে বিশ্ব
বিবেকস্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল।
যাদেরকে মারা হয়েছিল
তাদেরপরিবারগুলো
আজো মানবেতরজীবনযাপন
করছে এবং ঐদিনেরদৃশ্যগুলির
কথা মনে হলে আজওতারা শিওরে উঠেন।
এই হলআওয়ামী গুন্ডাদেরসন্ত্র
াসী কর্মকান্ড। ধিক্কার
জানাইআওয়ামীলীগকে। থুথু
ফেলি তাদেরমুখে!
ছিঃ আওয়ামীলীগ ছিঃ !!

বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৪

ব্লগের মাধ্যমে ইনকাম করতে হলে যা জানা গুরুত্ব পূর্ণ

  Menu

এসো বাংলায় শিখি

ব্লগিং করে কীভাবে টাকা আয় করা যায় (এটা তা নয় আপনি যা চিন্তা করেন)
Posted by hakim8blogspot.com
প্রফেশনাল ব্লগার হওয়া অনেকেরই স্বপ্নের ক্যরিয়ার, কিন্তু ব্লগ থেকে যথেষ্ট টাকা আয় করে ফুল টাইম ইনকাম করা সহজ নয়।

আপনি যদি আমাদের সাইটের সাথে সবসময় থাকেন এবং ব্লগিং নিয়ে সকল আর্টিক্যাল পড়ে থাকেন তাহলে আপনি জেনে থাকবেন ব্লগিং করে টাকা আয় করা সম্ভব এবং আপনার ভালো তত্ত্বীয় জ্ঞান হয়ে থাকার কথা। যাইহোক, সব ব্লগারদেরই গল্প একই  যারা মাস এমনকি বছর সংগ্রাম করে বই দিয়ে সবকিছু করতে পেরেছেন ।

হতে পারে আপনি আপনার ট্রাফিক নির্মাণ করে ফেলেছেন, আপনার সাইট প্রোমোট করেছেন এবং আপনার ব্লগ নগদীকরণ বা মনটাইজ করেছেন, কিন্তু এখনও আপনি আপনার সব প্রচেষ্টার জন্য সামান্য চীনাবাদাম ও আদায় করতে পারেননি। এই পরিস্থিতি পরিচিত মনে হচ্ছে? আসলে আপনি একা নন।

কিন্তু এখইনই হাল ছেড়ে দিবেননা-ব্লগারদের জন্য টাকা আয় করা সম্ভব। শুধু তাই নয়, অল্প কয়েক মাসের মধ্যেই আপনি ফুল টাইম ইনকাম করতে পারবেন।

না, আমি আপনাকে এখন কোন চতুর, এবং শর্টকাট কোনো স্কীমের কথা বলছিনা যে গুগলের কাছ থেকে হাজার হাজার ভিজিটর এনে দিবে। ব্লগিং করে টাকা আয় করার জন্য একাধিক রাস্তা আছে, এবং আপনি যদি আপনার সাইটকে অর্থ উপার্জনক্ষম করতে না পারেন এটা অন্য কারো জন্য লিখা বলে বিবেচনার সময় হতে পারে।

একজন ফ্রিল্যান্স ব্লগার হিসেবে  কিভাবে টাকা আয় করা যায়
ব্লগিং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের চেষ্টার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই  যে সমস্যা হয় তা হলো, ট্রাফিক বিল্ড আপ এবং কন্টেন্ট তৈরী করার জন্য অনেক দীর্ঘ সময় লাগে এবং কার্যকরভাবে আপনার সাইট অর্থ উপার্জনক্ষম করতে ফলোয়ারদের প্রয়োজন হয়।

এখানে কোন সহজ শর্টকাট নাই। আপনি ভাগ্যবান হলে পেতে পারেন  নিউ ইয়র্ক টাইমস বা হাফিংটন পোস্ট দ্বারা প্রমোট এবং আপনি গেস্ট পোস্টিং এবং অন্যান্য প্রচারমূলক কৌশল সঙ্গে একটু গতি বাড়াতে পারেন। তবে সাধারণভাবে আপনি একটি দীর্ঘ সময়ের জন্য কঠোর কাজীর জন্য প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন। এবং তা দেখানোর জন্য খুব ছোট আয়।

তবে, ইতিমধ্যে প্রচুর  ব্লগে আছে যারা সাফল্যের একটি স্তর অর্জন করেছে  এবং মালিকের জন্য উপযুক্ত অর্থ উপার্জন করছে। যখন ব্লগ কোন নির্দিষ্ট সাইজে যায়, তখন তা একজনের জন্য বিরাট চ্যলঞ্জ হয়ে যায় চালিয়ে যাওয়া বা মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরী করতে পারা। এই ব্লগ গুলোর জন্য কী প্রয়োজন? লেখক।

একজন ব্লগার হিসেবে আপনি ইত্যমধ্যে প্রমাণ করেছেন আপনার লিখার দক্ষতা আছে, শুধু তাই নয়, আপনি জানেন কীভাবে একটি লেখাকে পড়ার সুবিধার জন্য সাজিয়ে তোলতে হয়, সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করতে হয়, সঠিক ইমেজ ব্যবহার করতে হয়, সামাজিক মাধ্যমে রগুলোকে প্রমোট করতে হয়, ফলোয়ারদের সাথে সম্পর্ক রেখে তাদের কমেন্টের জবাব দিয়ে পাঠক বাড়াতে হয়। এই সকল গুণাবলি আপনাকে উচ্চ গুণ সম্পন্ন করে অন্যান্য ব্লগে লেখার জন্য।

লেখার জন্য ব্লগ খুজুন
হাজারের ও বেশি ব্লগ আছে যারা লেখক খুজছে, তাই সম্ভবত এটা আপনয়ার চিন্তার থেকে সহজ একজন ফ্রিল্যন্স ব্লগার লেখক হিসেবে শুরু করার। একটি সহজ জায়গা হলো ফ্রিল্যন্সিং জব এর বোর্ড দেখে পেতে পারেন আপনার জন্য লেখার ব্লগ। নতুন ফ্রিল্যন্স ব্লগারদের জন্য একটি অন্যতম জায়গা হলো Problogger Job Board।

আপনি আরো জব তালিকার সাইট যামন Elance, oDesk এবং PeoplePerHour  দেখতে পারেন। এই সাইটগুলোতে অল্প পেমেন্টের অনেক কাজ থাকে যা থেকে সতরক থাকা উচিত। এবং এর জন্য আপনার পরিষেবাকে  যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার ফাঁদে পড়তে পারেন।

আপনি যখন শুরু করবেন তখন অল্প রেটে কাজ করে দেয়াতে কোন লজ্জা নেই (তারা সহায়ক পোর্টফোলিও খোরাক সরবরাহ করে আর কিছুই নয়) কিন্তু সব সময় মনে রাখতে হবে যে আপনি একজন ভালো লেখক এবং আপনি আপনার কাজের জন্য সুন্দর ভাবে পরিশোধ পাওয়ার যোগ্য। ব্লগিং এর জন্য অন্যান্য সকল ফ্রিল্যন্সিং এর মতই চেষ্টার প্রয়োজন।

তাছাড়া আপনি ব্লগের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন, যে তারা কোন লেখক খুজছে কি না। এটা আরো কাজের হবে যে আপনাকে অল্প প্রতিযোগিতার মুখমুখি হতে হয়, এবং যে ব্লগ আপনাকে আগ্রহী করে সেখানে আপনি সরাসরি যেতে পারছেন, যে টপিকের উপর লিখতে চান তাও নিজে ঠিক করতে পারছেন।

কিছু ব্লগার এডভার্টাইজ দেয় লেখকের খুজে, সেখানে আপনার একটি ইমেইল কোন ক্ষতির কারন হবেনা, বরং সেখানে আপনি দর কষাকষি করে নিতে পারেন।

একজন ফ্রিল্যান্স ব্লগার হিসাবে আপনার পরিষেবার বিজ্ঞাপন দিন
আপনি কাজ লেখালেখির জন্য ব্লগ খুজছেন, আপনি এটা নিশ্চিত করতে চান যে কাস্টমার আপনার কাছে সরাসরি আসুক। আপনি যদি ব্লগিং করে থাকেন তাহলে তা আপনা রজন্য সহজ। আপনার ব্লগ আপনার জন্য পোর্টফলিও হিসেবে কাজ করবে, মানুষকে আপনার লেখার দক্ষতা দেখাতে, এবং একটি সহজ কাজ হলো আমাকে ভাড়া করুন (Hire Me ) পেজ খুলা যেখানে আপনার সম্পর্কে সকল তথ্য দেয়া থাকবে।

আপনার এই পেযে আপনি যে কাজ গুলো আগে করেছেন তার লিংক দিতে পারেন, আপনার জীবন বৃত্তান্ত ও আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন যাতে কাস্টমার খুশি হয় আপনার কাজের উপর। আপনার কোন ব্লগ পোস্ট না থাকলে অন্তত আপনার ব্লগে লিখা সেরা লেখাটির লিংক দিতে পারেন।

কিছু ফ্রিল্যন্স ব্লগার তাদের পেজে তাদের রেট লিখে দিতে পছন্দ করে। আপনি যদি আপনার রেট পাবলিশ করতে চান, তাহলে মনে রাখতে হবে যে, যদিও এর দ্বারা আপনি দর কষাকষির কিছুটা সময় বাঁচাতে পারেন, কিন্তু আপনি ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন রেট এর নমনীয়তা হারাতে পারেন। আপনার জন্য ভবিষ্যতে এই রেট বাড়াতে কষ্ট হতে পারে।

এডভার্টাইজের আরেকটি ভালো মাধ্যম হলো আপনার সাইটে একটি লিংক এড করবেন এবং আপনার সেবা সম্পর্কে দুইটি লাইন লিখবেন, আপনার কাস্টমারের জন্য। যদিও এট সবসময় সম্ভব নয় (কিছু ব্লগ হয়ত আপনাকে ভাড়া করবে ভূতুড়ে লেখক হিসেবে, যেক্ষানে আপনার আর্টিক্যল অন্য লেখকের নামে পোস্ট হবে) এটা আপনার জন্য সবসময় বোনাস হিসেবে পাওয়া হবে এবং হয়তো আপনি অনেক সস্তায় উঁচু মানের ব্লগে আপনার লিখা বাই লাইন পোস্ট হিসেবে থাকবে।

ফ্রিল্যন্স ব্লগার হিসেবে আজই শুরু করুন

ফ্রিল্যান্সার ব্লগার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার শুরু করা অত্যন্ত ভালো হবে যদিও সেখানে কিছু বাধা থাকে। আপনার কাছে বছরের অভিজ্ঞতা বা বড়ো নামের কাস্টমারের প্রয়োজন নাই শুধু আপনার ভালো লেখাই কথা বলবে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে।

আপনি যদি ইতিমধ্যেই ফ্রিল্যান্স ব্লগার হিসেবে শুরু করে আশানূরূপ্ ফল না পান, তাহলে আপনার প্লান এবং কৌশল নিয়ে আবার ভাবতে হবে, অন্যের জন্য লেখার পাশাপাশি নিজের ব্লগেও লিখতে হবে। এটা শুধু আপনার ইনকাম বাড়ানোর জন্যই নয় এতে আপনার ব্লগে পাঠকের উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য। ফ্রিল্যন্সার হিসেবে শুরু করার কয়েক মাস পর আপনি হয়ত দেখবেন আপনার নিজের ব্লগ থেকেও টাকা আসা শুরু হয়েছে।

 

 

About these ads
Rate this:
      Rate This
Share this:
TwitterFacebook1

কখন আপনার ব্লগ বাণিজ্যিকীকরণ করবেন?
আপনার ব্লগের উন্নয়নরত এবং পরিচালনার অগ্রগতির কোন ​​পর্যায়ে অর্থ উপার্জনক্ষম করার চেষ্টা করা ভাল? এই প্রশ্নটা অনেকেই আমাদের করে থাকেন, আপনি যদি বগিং দিয়ে আপনার ক্যরিয়ার গড়তে চান তাহলে এটি আপনার…
In "Make Money"
ব্লগার টেমপ্লেট তৈরী করা শিখুন
বর্তমানে প্রচুর ভালো মানের ব্লগ বা ওয়েবসাইট ব্লগার প্লাটফরম এর মাধ্যমে চলতেছে । Twitter এর ব্লগ ও কিন্তু ব্লগার এর মাধ্যমে চলে ।আপনি সহজেই নিজস্ব ডোমেইন বা সাব-ডোমেইন এ ব্যবহার…
In "How To"
টুইটারে ফলোয়ার বাড়ানোর ৫ টি কার্যকরী টিপস
আপনার ব্লগ বা ব্যাবসার জন্য কি টুইটার একাউন্ট আছে? আপনার একাউন্টে ফলোয়ার বাড়াতে চান? তাহলে এই নিবন্ধটি আপনার জন্যই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপকারিতা শুধুই আমাদের সাইটে ট্রাফিক আনা নয় আমাদের ব্লগের…
?

জামাতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

২৫ শে ফেব্রুয়ারী সকাল থেকে রাত,
মিডিয়ার ভূমিকা এবং জামায়াত!!!
২০০৯ সালের
২৫শে ফেব্রুয়ারী বিডিআর
জোয়ানদের বিদ্রোহ হয়েছিল।
মনে করা হয় দুনিয়ার কোন
যুদ্ধেতো তো নয়েই, দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধেও এতো সংখ্যক
সেনা অফিসার হত্যার ঘটনা ঘটেনি।
এই ঘটনায় আমাদের কি পরিমাণ
ক্ষতি হয়েছে, সেই
সম্পর্কে অনেকে অনেক
ভাবে লেখালেখি করেছে।
মিডিয়া একটা জাতির
চিন্তা চেতনা কতো দ্রুত পরিবর্তন
করতে পারে তার প্রমাণ হচ্ছে,
২৫শে ফেব্রুয়ারী সকাল থেকে রাত
পর্যন্ত টিভি সংবাদ গুলো।
আমি সংবাদিকতা নিয়ে ছোট্ট
একটা কোর্স করতেছি, তাই আমার
দেখা বিডিআর বিদ্রোহের দিন
মিডিয়ার ভূমিকা কেমন ছিলো,
তা বলতে চাই।
ঐ দিন সকাল ১১টার দিকে হঠাৎ আমার
বড় ভাই তার অফিস থেকে কল
দিয়ে বললো,
টিভিতে দেখতো বিডিআররা নাকি বিদ্রোহ
করছে!
সাথে সাথে টিভি অন করে দেখলাম,
লাইভ দেখাচ্ছে পিলখানার ভিতর
থেকে গোলাগুলির শব্দ।
সারাদিনই চেষ্টা করলাম
প্রত্যেকটা চ্যানেলের সংবাদ
দেখার। সংবাদ একটাই-
বিডিআররা বিদ্রোহ করেছে, তাদের
দাবি দাওয়া আদায়ের জন্য।
মিডিয়া অনেকটাই বিডিআর দের
পক্ষে সংবাদ পরিবেশন
করতে লাগলো। সেনাবাহিনীর
বিরুদ্ধেও চলে যাচ্ছিল সেই দিনের
সংবাদ-
" জানাজার আগে মিডিয়ার
সমালোচনা। কয়েকজন
সেনা কর্মকর্তা বিডিআরের ঘটনার পর
পরিবেশিত সংবাদের জন্য
গণমাধ্যমের কড়া সমালোচনা করেন।
তারা বলেন, আর্মির বিরুদ্ধে অপপ্রচার
চালানোর জন্যই যেন
মিডিয়া সেখানে হাজির হয়েছিল।
এসব ঘটনায়
জানাজা কিছুটা বিলম্বিত হয়।(মানব
জমিন, ২৮/০২/২০০৯)
এই সংবাদ গুলো সাধারন মানুষের
মনে কতো বড় প্রভাব
ফেলেছিলো তা আমি দেখেছি।
অনেক সাধারণ মানুষ
বলাবলি করতেছিলো-
"আসলে বিদ্রোহটা ঠিকই আছে,
সেনাবাহিনী থেকে যারা বিডিআরে গেছে তারা বিডিআর
জোয়ানদের দিয়ে অনেক কাজ
করায়,মাঝে মাঝে নির্যাতনও করে!!"
যতটুকু মনে পড়তেছে, ঐদিন সন্ধ্যার
একুশে টিভির সংবাদে এক বিডিআর
জোয়ানের মেয়ের সাক্ষাতকার
প্রচার করা হয়,
"সেনা অফিসাররা বিডিআর
জোয়ানদের দাবি দাওয়া মানে না,
কষ্ট করায়।" এই জাতিও
কথা মেয়েটি বলেছিলো।
বড়ই আশ্চর্য জনক! সদর দফতরের
ভিতরে অবস্থানরত
সেনা অফিসাররা কি অবস্থায় আছে,
বেচেঁ আছে নাকি মারা গেছে, সেই
সম্পর্কে তেমন কোনো সংবাদই
ছিলো না!
এতে সাধারণ মানুষের সেন্টিমেন্ট
বিডিআর জোয়ানদের পক্ষে ছিলো।
২৫ তারিখ পেরিয়ে ২৬তারিখ এবার
মিডিয়ার ভিন্ন রুপ!
মিডিয়া এখন সেনা অফিসারদের
পক্ষে কথা বলা শুরু করলো। কারণ
ততোক্ষণে সব জাগায় ছড়িয়ে গেছে,
বিদ্রোহে অনেক
সেনা অফিসারকে হত্যা করা হয়েছে।
মিডিয়ার এই ভিন্নরুপের
সঙ্গে সঙ্গে জনগনের মানসিকতার
পরিবর্তনও চলে আসলো। এবার সাধারন
মানুষের মুখে শুনতে দেখেছি,
"পিলখানার
বিদ্রোহে বাংলাদেশের অনেক বড়
ধরনের ক্ষতি হয়ে গেলো, যা পূরণ হবার
মতো নয়।"
মিডিয়া কতো তাড়াতাড়ি মানুষের
চিন্তার জায়গা গুলোর পরিবর্তন
করতে পারে, এ যেনো তারই প্রমাণ!
তিলকে তাল আর তালকে উধাও
করে উপস্থাপন করা মিডিয়ার
কাছে কোনো ব্যপারই না।
মিডিয়া জামায়াতের
বিরুদ্ধে অবিরাম অপপ্রচার
চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু সাধারন জনগন
না বুঝেই বিশ্বাস করে ফেলতেছে।
গত এক বছর
ধরে নির্বিচারে জামায়াত-
শিবিরের কর্মীদের
গুলি করে মারতেছে, কিন্তু
মিডিয়া বলতেছে, জামায়াত-
শিবিরের তান্ডব চালিয়েছে, এই সময়
এতজন মারা গেছে!
কতো বড় আহাম্মকি সংবাদ যে,
জামায়াত-শিবিরই যদি তান্ডব
চালায় তাহলে তাদেরই লোক
কেনো মারা গেলো! অপর পক্ষের
লোক কেনো মারা গেলো না?
"তিলকে তাল আর তালকে উধাও"
মিডিয়ার এই আশ্চর্য জনক
শক্তিকে কেউই অস্বিকার
করতে পারবে না।
আর তাই, সত্যাবলম্বীদের উচিত
মিডিয়াকে নিজেদের করে নেওয়া।
আলহামদুলিল্লাহ্, জামায়াত-শিবির
মিডিয়াতে এখন কাজের
ব্যাপারে ১০০% পজিটিভ।
আল্লাহ তার দ্বীণের
কাজকে এগিড়ে নেওয়ার জন্য
মিডিয়াতেও আমাদের
শক্তিশালী ভূমিকা রাখার তাওফিক
দান করুক।
আমীন

জামাতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

২৫ শে ফেব্রুয়ারী সকাল থেকে রাত,
মিডিয়ার ভূমিকা এবং জামায়াত!!!
২০০৯ সালের
২৫শে ফেব্রুয়ারী বিডিআর
জোয়ানদের বিদ্রোহ হয়েছিল।
মনে করা হয় দুনিয়ার কোন
যুদ্ধেতো তো নয়েই, দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধেও এতো সংখ্যক
সেনা অফিসার হত্যার ঘটনা ঘটেনি।
এই ঘটনায় আমাদের কি পরিমাণ
ক্ষতি হয়েছে, সেই
সম্পর্কে অনেকে অনেক
ভাবে লেখালেখি করেছে।
মিডিয়া একটা জাতির
চিন্তা চেতনা কতো দ্রুত পরিবর্তন
করতে পারে তার প্রমাণ হচ্ছে,
২৫শে ফেব্রুয়ারী সকাল থেকে রাত
পর্যন্ত টিভি সংবাদ গুলো।
আমি সংবাদিকতা নিয়ে ছোট্ট
একটা কোর্স করতেছি, তাই আমার
দেখা বিডিআর বিদ্রোহের দিন
মিডিয়ার ভূমিকা কেমন ছিলো,
তা বলতে চাই।
ঐ দিন সকাল ১১টার দিকে হঠাৎ আমার
বড় ভাই তার অফিস থেকে কল
দিয়ে বললো,
টিভিতে দেখতো বিডিআররা নাকি বিদ্রোহ
করছে!
সাথে সাথে টিভি অন করে দেখলাম,
লাইভ দেখাচ্ছে পিলখানার ভিতর
থেকে গোলাগুলির শব্দ।
সারাদিনই চেষ্টা করলাম
প্রত্যেকটা চ্যানেলের সংবাদ
দেখার। সংবাদ একটাই-
বিডিআররা বিদ্রোহ করেছে, তাদের
দাবি দাওয়া আদায়ের জন্য।
মিডিয়া অনেকটাই বিডিআর দের
পক্ষে সংবাদ পরিবেশন
করতে লাগলো। সেনাবাহিনীর
বিরুদ্ধেও চলে যাচ্ছিল সেই দিনের
সংবাদ-
" জানাজার আগে মিডিয়ার
সমালোচনা। কয়েকজন
সেনা কর্মকর্তা বিডিআরের ঘটনার পর
পরিবেশিত সংবাদের জন্য
গণমাধ্যমের কড়া সমালোচনা করেন।
তারা বলেন, আর্মির বিরুদ্ধে অপপ্রচার
চালানোর জন্যই যেন
মিডিয়া সেখানে হাজির হয়েছিল।
এসব ঘটনায়
জানাজা কিছুটা বিলম্বিত হয়।(মানব
জমিন, ২৮/০২/২০০৯)
এই সংবাদ গুলো সাধারন মানুষের
মনে কতো বড় প্রভাব
ফেলেছিলো তা আমি দেখেছি।
অনেক সাধারণ মানুষ
বলাবলি করতেছিলো-
"আসলে বিদ্রোহটা ঠিকই আছে,
সেনাবাহিনী থেকে যারা বিডিআরে গেছে তারা বিডিআর
জোয়ানদের দিয়ে অনেক কাজ
করায়,মাঝে মাঝে নির্যাতনও করে!!"
যতটুকু মনে পড়তেছে, ঐদিন সন্ধ্যার
একুশে টিভির সংবাদে এক বিডিআর
জোয়ানের মেয়ের সাক্ষাতকার
প্রচার করা হয়,
"সেনা অফিসাররা বিডিআর
জোয়ানদের দাবি দাওয়া মানে না,
কষ্ট করায়।" এই জাতিও
কথা মেয়েটি বলেছিলো।
বড়ই আশ্চর্য জনক! সদর দফতরের
ভিতরে অবস্থানরত
সেনা অফিসাররা কি অবস্থায় আছে,
বেচেঁ আছে নাকি মারা গেছে, সেই
সম্পর্কে তেমন কোনো সংবাদই
ছিলো না!
এতে সাধারণ মানুষের সেন্টিমেন্ট
বিডিআর জোয়ানদের পক্ষে ছিলো।
২৫ তারিখ পেরিয়ে ২৬তারিখ এবার
মিডিয়ার ভিন্ন রুপ!
মিডিয়া এখন সেনা অফিসারদের
পক্ষে কথা বলা শুরু করলো। কারণ
ততোক্ষণে সব জাগায় ছড়িয়ে গেছে,
বিদ্রোহে অনেক
সেনা অফিসারকে হত্যা করা হয়েছে।
মিডিয়ার এই ভিন্নরুপের
সঙ্গে সঙ্গে জনগনের মানসিকতার
পরিবর্তনও চলে আসলো। এবার সাধারন
মানুষের মুখে শুনতে দেখেছি,
"পিলখানার
বিদ্রোহে বাংলাদেশের অনেক বড়
ধরনের ক্ষতি হয়ে গেলো, যা পূরণ হবার
মতো নয়।"
মিডিয়া কতো তাড়াতাড়ি মানুষের
চিন্তার জায়গা গুলোর পরিবর্তন
করতে পারে, এ যেনো তারই প্রমাণ!
তিলকে তাল আর তালকে উধাও
করে উপস্থাপন করা মিডিয়ার
কাছে কোনো ব্যপারই না।
মিডিয়া জামায়াতের
বিরুদ্ধে অবিরাম অপপ্রচার
চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু সাধারন জনগন
না বুঝেই বিশ্বাস করে ফেলতেছে।
গত এক বছর
ধরে নির্বিচারে জামায়াত-
শিবিরের কর্মীদের
গুলি করে মারতেছে, কিন্তু
মিডিয়া বলতেছে, জামায়াত-
শিবিরের তান্ডব চালিয়েছে, এই সময়
এতজন মারা গেছে!
কতো বড় আহাম্মকি সংবাদ যে,
জামায়াত-শিবিরই যদি তান্ডব
চালায় তাহলে তাদেরই লোক
কেনো মারা গেলো! অপর পক্ষের
লোক কেনো মারা গেলো না?
"তিলকে তাল আর তালকে উধাও"
মিডিয়ার এই আশ্চর্য জনক
শক্তিকে কেউই অস্বিকার
করতে পারবে না।
আর তাই, সত্যাবলম্বীদের উচিত
মিডিয়াকে নিজেদের করে নেওয়া।
আলহামদুলিল্লাহ্, জামায়াত-শিবির
মিডিয়াতে এখন কাজের
ব্যাপারে ১০০% পজিটিভ।
আল্লাহ তার দ্বীণের
কাজকে এগিড়ে নেওয়ার জন্য
মিডিয়াতেও আমাদের
শক্তিশালী ভূমিকা রাখার তাওফিক
দান করুক।
আমীন